শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়ায় গভীর রাতে বসতঘর থেকে গৃহবধূ নিখোজ, জনমনে নানা প্রশ্ন হত্যা না গুম ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকে কনায় কানায় পরিপূর্ন কুয়াকাটা সৈকত সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ,সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির কলাপাড়ায় কুইজ প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের সন্মাননা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বরিশাল মহানগর বিএনপির ঈদ উপহার বিতরণ পর্যটক আকর্ষনে ঈদকে ঘিরে কুয়াকাটায় চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি কলাপাড়ায় ঈদের চাঁদ উৎসব কলাপাড়ায় ১১ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ উদযাপন করছে আগাম ঈদ পটুয়াখালীতে আজ ৩৫টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন পালিত হচ্ছে কলাপাড়ায় ৩৪টি এসএসসি ব্যাচের ‘হাইস্কুলিয়ান ইফতার ২০২৫’ অনুষ্ঠিত কলাপাড়া পৌর নির্বাচন।।মেয়র পদে নির্বাচন করতে তৎপর নান্নু মুন্সী কলাপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রোগমুক্তির জন্য ইফতার কলাপাড়া সাংবাদিক ক্লাবের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান কুয়াকাটায় ১০ দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সভাপতির দুই ছেলে
ভোলার ঝূঁকিপূর্ণ ৪৩ চরের বাসিন্দারা নিরাপদে

ভোলার ঝূঁকিপূর্ণ ৪৩ চরের বাসিন্দারা নিরাপদে

Sharing is caring!

ক্রমেই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। উত্তাল হয়ে উঠেছে ভোলার নদ-নদী। বুলবুলের প্রভাবে শুরু হয়েছে ঝড়ো বাতাস।

শনিবার (০৯ নভেম্বর) বিকেল থেকেই বাতাসের গতিবেগ বাড়ছে এবং কখনো থেমে থেমে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস বইছে। এতে উপকূলের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

এদিকে, বিকেল পর্যন্ত জেলায় তিন লাখ ২৩ হাজার ৬৩৭ জনকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হয়েছে। জেলার জনবসতিপূর্ণ ৪৩টি চরের বাসিন্দাদের আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক।

তিনি বলেন, আমরা জেলার সাত উপজেলার দুর্গম চরের আড়াই লাখ মানুষকে ঝূঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছি, তাদের সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও নদীর উপকূলবর্তী এলাকার লোকজনকেও আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হয়েছে।

জেলার ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র ও ৩৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছে ৪৬ হাজার ২৬০, দৌলতখান উপজেলায় ৩৫ হাজার ৪২০, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ৩৩ হাজার ৩২০, লালমোহন উপজেলায় ৪৮ হাজার ৩৯০, তজুমদ্দিন উপজেলায় ৫৪ হাজার ২১৫, চরফ্যাশনে ৬৫ হাজার ৩১০ এবং মনপুরা উপজেলায় ৪০ হাজার ৭৩২ জন রয়েছে।

সদরের ইলিশা মৌলভীরহাট আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করা কবিতা, মাজেদ ও শান্তনাসহ অনেকেই জানান, সতর্কতা সংকেত পাওয়ার পর আমরা পরিবারের সবাইকে নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছি, দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে।

জেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) উপ-পরিচালক সাহাবুদ্দিন মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, সিপিবি’র ৬৮০টি ইউনিটে তিনটি করে সংকেত পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। প্রত্যেকটি ইউনিটের আওতায় ২ থেকে ৩ হাজার মানুষের বসবাস। উপকূলজুড়ে সাধারণ জনগণকে আশ্রয় কেন্দ্রে আসার জন্য হ্যান্ড সাইরেন ও মেগা ফোনের মাধ্যমে আহ্বান জানানো হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদের মাইকেও প্রচার চালানো হচ্ছে নিরাপদে থাকার জন্য। গত রাত থেকেই মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD